এক আগুনে পুরো পরিবার শেষ

Spread the love

উৎস ডেস্কঃ

ইস্কাটনের দিলু রোডে পাঁচতলা ভবনের গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছেলে রুশদি ও স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন স্বামী শহিদুল কিরমানি রনিও। সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ। আগুন লাগার ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর ইস্কাটনের দিলু রোডের ভবনের গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। আগুন লেগে এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়, দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল শিশু রুশদির বাবা-মা। নিহতদের মধ্যে দুজন হলেন- আব্দুল কাদের (৪০) ও ভবনের বাসিন্দা শহিদুল কিরমানি রনির ছেলে রুশদী (৪)। নিহত রুশদী এ. জি. চার্চ স্কুলের ছাত্র।

রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৯৫ শতাংশ পোড়া ছিল।

 

ভবনে আগুন লাগার বিষয়টি টের পেয়ে শিশু সন্তান এ কে এম রুশদিকে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচের দিকে নামছিলেন বাবা-মা। এসময় বাবার হাত ফসকে বেরিয়ে যায় রুশদী। বৃহস্পতিবার ভোরে ইস্কাটনের দিলু রোডের পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার সিঁড়িতে শিশুটির পোড়া দেহ পড়েছিল। তার বাবা শহীদুল কিরমানি রনি (৩৯) ও মা জান্নাতুল ফেরদৌসও (৩৪) মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে থাকেন বার্ন ইউনিটে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক (ময়মনসিংহ বিভাগ) আবুল হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকারি সংস্থাটি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x