খড়িঞ্চা দাখিল মাদ্রাসায় ক্লাশ রুমের সংকট ও জলাবদ্ধতা শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

Spread the love

শরিফুলই সলাম চৌগাছা (যশোর)প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছার খড়িঞ্চা দাখিল মাদ্রাসা ক্লাশ রুমের অভাব ও মাঠের জলাবদ্ধতার ফলে ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান ও শিশু ক্রম বিকাশে চাঁবিকাঠি খেলা ধুলা।

চৌগাছা সরূপদাহ ইউনিয়নের চৌগাছা পুড়াপাড়া মেইন সড়কের মাঝামাঝি খড়িঞ্চা বাজারের উত্তরে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত মাদ্রাসাটি স্বাধীনতার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত। প্রথমদিকে নূরানী মাদ্রাসা হিসাবে গড়ে উঠলেও ১৯৯৭ সালেখ ড়িঞ্চা দাখিল মাদ্রাসা হিসাবে আতœ প্রকাশ ঘটে।

২০০১ সালে মাদ্রাসাটি এমপি ও ভুক্তি হয়। পরপর কয়েকবার শতভাগ পাশ ও তিনবার উপজেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুরষ্কারে ভূষিত হলে ও প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে কোন পদক্ষেপ নেননি প্রশাসন। দীর্ঘ ২৩ বছর পার হলেও প্রতি শ্রতি ছাড়া আজ পর্যন্ত কোন বিল্ডিং এর অনুমোদন হয়নি।

মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪০৫ ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করে। নেই কোন পাঠাগার, কমনরুম এলাকা বাসির সহযোগিতা ও শিক্ষকদের উদ্যোগে তৈরি ক্লাস রুমের নেই কোন জানালা, দরজা। টিনের ছাওনি থাকলেও সামান্য বৃষ্টিতে পানি পড়ার ফলে চেয়ার টেবিল ভিঁজে যাওয়ায় শিক্ষকরা ক্লাশ নেওয়া বন্ধকরে দেন। ফলে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। মাঠের জলাবদ্ধতার ফলে খেলাধুলা করতে না পারাই ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে শিশুর মনুষিক ও শাররীক ক্রমবিকাশ। ।

একটু বৃষ্টি হলেই মাঠে জলাবদ্ধতা দেখা দেয় বেঁধে যায় কোমর পর্যন্ত পানি এমতাবস্থায় শিশু শ্রেনীর শিক্ষাথীদেরকে মাদ্রাসা বন্ধ করে দেন অবিভাবকরা। আবার অনেক শিক্ষার্থীকে বৃষ্টিতে ভিজে কাঁদা মেখে বই খাতা ভিঁজিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরতে হয়।অনেক শিক্ষক পানি পার হয়ে ক্লাশনিতে যেতে চাননা।

শিক্ষক মেহের আলী বলেন আমাদের কাঁদা মাখা ও ভেঁজা প্রতিদিনের সঙ্গী শিক্ষক ও ছাত্র,ছাত্রী সকলকেই প্রতিদিন দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়।
সহ সুপার আসাদুল্লাহ আল গালিব বলেন ছাত্র,ছাত্রীদের খেলাধুলা তো দুরের কথা জলাবদ্ধতার জন্য অনেকে মাদ্রসায় আসতে চাননা। মাঠের পশ্চিমে পুকুর থাকা এবং মাঠটি নিচু হওয়ায় প্রায় সময়ে জলাবদ্ধতা থেকে ইযায়। সাধারনত ছাত্র ছাত্রীরা খেলা ধুলা করতে না পারা,শপথও জাতীয় সংগীত পাঠে প্রতিবন্ধক,জলাবদদ্ধতায় বিরক্তিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা দ্রুত মাঠ ভরাট করে খেলাধুলা ও চলা ফেরার স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করার জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

প্রতিষ্ঠানের সুপার মাওঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন আমার প্রতিষ্ঠান সব সময় ভালো রেজাল্ট করে আসছে কিন্তু ক্লাশ রুমের অভাব,শিক্ষক না থাকা ও জলাব্ধতার ফলে ভিজে শ্যাঁত সেঁতে পরিবেশের কারনে কমলমতি শিশুরা প্রায়ই অসুস্থ হয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই লেখাপড়াই পিছিয়ে পড়ছে ছাত্র ছাত্রীরা। এলাকাবাসী বিষটিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনাকরে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x