ঝিনাইদহের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন

Spread the love
  • 10
    Shares

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
শিশু, শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে ঝিনাইদহের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। এ কর্ণারে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোকচিত্র ও তথ্য। ফলে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারছে শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন এর প্রতিষ্ঠাতা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলাম।

তিনি জানান, ঝিনাইদহ শিশু একাডেমী মিলনায়তন, নারিকেলবাড়ীয়া জেড এ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উত্তর নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পিটিআই, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব, আমেনা খাতুন ডিগ্রি কলেজে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার। এতে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার দৃশ্যপট। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে জেলার অবদান, ইতিহাস, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও বীরদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত কর্নারগুলো থেকে মুক্তিযুদ্ধকে জানা ও অনুভব করতে পারছে শিক্ষার্থীরা। একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ, গণহত্যা, বাঙালির বীরত্বগাথাসহ মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জানার আগ্রহ বাড়ছে তাদের মধ্যে।
মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে আসা মারিয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, পাঠ্যবই পড়ে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি। এখন মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের ছবি ও তথ্য দেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারছি।

তরিকুল ইসলাম নামের এক কলেজ শিক্ষক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্থিরচিত্রগুলো আমাদের মনকে নাড়া দেয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে আমাদেরকে উৎসাহিত করছে এই কর্নার। এজন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ধন্যবাদ জানায়।
জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আয়ুব আলী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ করতে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীরা অবসর সময়ে আগ্রহ নিয়েই কর্নারে গিয়ে তথ্য জানছে।’ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলাম বলেন, ‘একটি জাতিকে এগিয়ে যেতে হলে তার শেকড়কে জানা উচিত। আর আমাদের শেকড় হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধ। এজন্যই সকলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত করে তোলা, চিন্তা চেতনায় দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবোধ তথা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলকে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার গড়ে তোলা হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x