টেকনাফে দেখা মিলল ‘পঙ্গপাল’ প্রজাতির পতঙ্গ

Spread the love
  • 4
    Shares

কীটবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, টেকনাফের একটা ভিডিও পর্যালোচনা করে যেটা মনে হয়েছে ঘাস ফড়িংয়ের আচরণ পরিবর্তন করে তারা ধীরে ধীরে দলবদ্ধ হচ্ছে।

পঙ্গপাল, ঘাষ ফড়িংয়ের সমগোত্রীয় প্রাণী। আচরণ পরিবর্তন করে দলবেঁধে হয়ে ওঠে পঙ্গপাল, আক্রমণ করে মাঠের পর মাঠ ফসল উজাড় করে তারা। বলা হয়ে থাকে, ১০ লাখ পঙ্গপাল একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেয়ে ফেলতে পারে।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে দেশে পঙ্গপাল প্রজাতির অস্তিত্ব পেয়েছে কীট বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, টেকনাফে এর উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের শঙ্কা করছেন তারা। টেকনাফে পোকার আক্রমণের খবর পাওয়া গেলেও সেটি পঙ্গপাল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এরইমধ্যে মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার অনেক দেশে আক্রমণ করেছে ঘাস ফড়িং-এর এই প্রজাতিটি। মধ্যপ্রাচ্য ও পাকিস্তানেও এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এবার দেশের কীট বিজ্ঞানীরা বলছেন, কক্সবাজারের টেকনাফেও পাওয়া গেছে পঙ্গপাল প্রজাতির অস্তিত্ব।

তবে জেলার কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, শত শত পোকা দলবেঁধে গাছের পাতা খেয়ে ফেলেছে। তবে সেটি পঙ্গপাল কিনা তা নিশ্চিত নয়।

মে মাসে পঙ্গপালের বংশবিস্তারেরে উপযুক্ত সময় বলে বিবেচনা করা হয়। তাই খাদ্য সংকট মোকাবিলায় এখই প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ বিজ্ঞানীদের।

কীটবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এটা যদি এখনই যদি এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা না যায় এভাবে তারা পরবর্তীতে পঙ্গপাল হয়ে যাবে। এখনই নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ভালো না হয় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x