পাকা ঘর পেয়ে তারা খুশি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

যার জমি আছে ঘর নাই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে গৃহ নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। এ অর্থ বছরে শৈলকুপা উপজেলায় মোট ৩৭টি ঘর বরাদ্ধ আসে। ঘর প্রতি বরাদ্ধ ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। যার নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টবর) বিকালে ঘরগুলো উপকারভোগিদের কাছে হস্তান্তর করেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ঘর হস্তান্তরকালে ইউএনও সাইফুল ইসলাম জানান, এ বছর শৈলকুপা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মোট ৩৭টি ঘর বরাদ্ধ আসে। যার নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ঘরগুলো নির্মানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি সরেজমিনে পরিদর্শণ ও তদারকি করেছেন। ঘর প্রতি বরাদ্ধ ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। বরাদ্ধের তুলনায় ঘরের মান অনেক ভালো হয়েছে ও মান সম্মত নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘরে ব্যবহৃত ইট, বালু, সিমেন্ট, টিন, রড, ও কাঠসহ সকল নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ছিলো বলে তিনি দাবী করেন। তিনি আরো জানান, উপকারভোগিরা বসবাস উপযোগী ও বাথরুম সংযুক্ত মানসম্মত পাকা ঘর পেয়ে আনন্দিত।

উপকারভোগি হিতামপুর গ্রামের তানিয়া খাতুন বলেন, ঘর পেয়ে তারা খুব খুশি। স্বামী সন্তান নিয়ে আনন্দে বসবাস করার সুযোগ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান।

পুরাতন বাখবরবা গ্রামের উপকারভোগি সুজন ঘর পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, তিনি কুড়ে ঘরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাথার উপর পানি পড়তো। বসবাসের অনুপযোগি ঘরে তারা কষ্টে বসবাস করতো। স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থাও ছিলো না। সরকারের দেয়া বাথরুম সংযুক্ত পাকা ঘর পেয়ে তিনি বর্তমানে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আনন্দে বসবাস করছেন। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও সবার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x