ফুলবাড়ীতে নেমে গেছে বন্যারভপানি সবুজের মাঠে কৃষকের স্বপ্ন

Spread the love
  • 2
    Shares

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

উত্তরের সীমান্তঘেঁষা উপজেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী। এ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে ৫ টি ইউনিয়নই ধরলা নদী কবলিত। টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পানিতে প্লাবিত হয়েছিল বিস্তৃর্ণ এলাকা। বন্যার কড়াল গ্রাস তবুও কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে দিগন্তজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। সব প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে আমন রোপনে এখনও ব্যস্ত সময় পার করছেন ধানচাষীরা। বন্যার কারণে উপজেলার কিছু এলাকায় আমন চারা রোপনে বিলম্ব হলেও বর্তমানে তা প্রায় শেষ পর্যায়ে।

সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে- প্রায় সব জমিতে কৃষকরা আমন চারা রোপন শেষ করেছেন। কৃষাণ-কৃষাণীর নিবিড় মমতায় চারা গাছগুলো দিনে দিনে সবুজ সতেজতায় বেড়ে উঠছে।সাড়া ফুলবাড়ীর দিগন্তজুড়েই এখন সবুজের সমারোহ। চারা রোপনের পর ফসলের পরিচর্যায় এ অঞ্চলের কৃষাণ-কৃষাণীর পদচারনায় মুখরিত আমনের ক্ষেত। এবারের বন্যায় কিছু আমন বীজতলা তলিয়ে গেলেও দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় চারার কোন ক্ষতি হয়নি। ফলে সঠিক সময়েই আমনের চারা রোপন কাজ শেষ করতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে কৃষকেরা।

বন্যা পরিস্থিতিতে চলতি আমন মৌসুমে চাষাবাদের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ জানান, এবারে উপজেলায় আমন চারা রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ হাজার ৩৪৫ হেক্টর। ইতিমধ্যেই বন্যাকবলিত এলাকাসহ ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার ভাঙ্গামোড় ও বড়ভিটা ইউনিয়নের নিচু এলাকায় কিছু জমিতে এখনো চারা রোপন কাজ চলছে। চলতি মৌসুমে দুইটি বন্যার পরও উপজেলায় আমন চারার কোন সংকট নেই, তাই আমন চারা রোপনে শতভাগ লক্ষ্য অর্জিত হবে। তাছাড়া সঠিক পরিচর্যা এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অধিক ফলনের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x