মহেশপুরে এক স্কুল ছাত্রীকে পিটিয়ে ও গলাই ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা

Spread the love
  • 531
    Shares

শামীম খানঃ

একই বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সোনালী খাতুন নামের এক ছাত্রীর কু-কর্ম দেখে ফেলায় ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী লিমা খাতুনকে (১৪) স্কুলের টয়লেটের মধ্যে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও গলাই ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে চিৎকার শুনে স্কুলের সহপাটিরা গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে লিমা খাতুনকে। গুরুতর অবস্থায় লিমা খাতুনকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার জিন্নাহনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
এঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে আহত ছাত্রী লিমা খাতুন বাদি হয়ে সোনালী খাতুনকে আসামী করে মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আহত ছাত্রী লিমা খাতুন জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সোনালী আপা আমাকে ডেকে নিয়ে স্কুলের টয়লেটের মধ্যে নিয়ে যায়। পরে আমাকে কিছু জিজ্ঞাসা না করেই আমার দু’চোখে,মুখে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি টয়লেটের মধ্যে পড়ে গেলে আমাকে গলাই দড়ি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার চিৎকারে আমার বান্ধবীরা ছুটে গিয়ে আমাকে রক্ষা করে।
আহত ছাত্রী লিমা খাতুন পিতা আনোয়ার হোসেন জানান, আমার মেয়ে সোনালী খাতুনের কোন ঘটনা দেখে ফেলে দিয়েছিলো বলেই সে আমার মেয়েকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো।

জিন্নাহনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুনু খাতুন জানান, আমি শুনেছি স্কুল এ্যাসেমব্লির আগে আমার স্কুলের দু ছাত্রী কি বিষয নিয়ে মারামারী করেছে। আমি তাদেরকে চোখেও দেখিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, জিন্নাহনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী লিমা খাতুনকে যে ভাবে মারা হয়েছে তা ভাবাই যায়না। আমার মনে হয় আর ৫/১০ মিনিট থাকলে ছাত্রীটি মারায় যেতো। তিনি আরো জানান,যে ছাত্রী মেরেছে তার কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুজন সরকার জানান,ছাত্রীর অভিভাবকরা ছাত্রীটিকে আমার অফিসে নিয়ে এসেছিলো। কিন্তু ছাত্রীটিকে যে ভাবে মারা হয়েছে আমি তা দেয়ে থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি মামলা করার জন্য।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x