মহেশপুরে কৃষকের স্বপ্ন দোল খাচ্ছে মুকুলে

Spread the love
  • 40
    Shares

শামীম খানঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আমগাছ গুলোতে থোকায় থোকায় আমের মুকুল দোল খাচ্ছে। শীতের শেষে আম গাছের কচি ডোগা ভেদ করে সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে হলদেটে মুকুল গুচ্ছ যেন উকি দিয়ে হাসছে। আম বাগান গুলোর শুনশান নিরবতা ভেঙে একটানা মৌমাছি যেন গুনগুন গান শোনাচ্ছে। আর আম বাগান গুলোও যেন সেজেছে অপরুপে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমের মুকুল গুলো পরিনত হবে পরিপূর্ন দানায়। আমের মুকুলে কৃষকের মনের ¯^প্ন দোল খাচ্ছে। সেই সোনালি স্বপ্ন বুকে ধারন করেই আম বাগান মালিকেরা পরিচর্যা করে চলেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহেশপুর  উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাষিরা আমের বাগান করে বানিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করছেন। আম চাষ লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কৃষকরা নতুন ভাবে আমের বাগান করছেন। আমরুপালি, লেংড়া, হাড়িভাঙা, মল্লিকা, থাই, গোপালভোগ, বারি-১০, বেনারশি, সিতাভোগ, এছাড়া দেশি প্রজাতির আম চাষ করেছেন চাষিরা। তবে এরমধ্যে সিংহভাগই আমরুপালি জাতের।

কৃষি সম্প্রসারন আফিস সূত্রে জানা যায়, মহেশপুর উপজেলায় ৫’শ ১০ হেক্টর জমিতে ১২’হাজার ২’শ ৪০ মেট্টিক টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

আম চাষের বিষয়ে কথা হয় মহেশপুর উপজেলার জলিলপুর গ্রামের আম চাষি রিপন হোসেনের সাথে। তিনি জানান, এবছর আমের গাছ গুলোতে প্রচুর পরিমানে মুকুল এসেছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার রোগ বালাই দেখা দেয়নি, আবহাওয়া ও ভাল। যদি কোন প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটে তাহলে প্রচুর  পরিমানে আমের ফলন আসবে।

উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আম চাষি গোলাম ফারুক জানান, আম গাছ গুলোর যতœ শুরু হয় বাগানের আম শেষ হবার সাথে সাথেই। বাগানে গাছের পুরাতন বোটা ভেঙে ফেলা। বাগান চাষ দেয়া। বাগানের জমিতে পাতা পরিষ্কার করা। মুকুল আসার আগে এবং পরে বাগানে ভালভাবে স্প্রে করা। তিনি আরো জানান, প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলেএবছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশা করছেন।

এ বিষয়ে  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাচান আলী জানন, আম লাভ জনক ফসল। এবার আম বাগানে যে পরিমানে মুকুল এসেছে, যদি প্রকৃতিক দূর্যোগে না পড়ে তাহলে আমের বাম্পার ফলন পাবেন কৃষকরা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x