মহেশপুরে জনতা ব্যাংক ব্যাবস্থাপকের খামখেয়ালিপনার কারনে হয়রানির শীকার হচ্ছে বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তিরা

Spread the love
  • 105
    Shares

মহেশপুর(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুর জনতা ব্যাংক ব্যাবস্থাপকের খামখেয়ালিপনার কারনে হয়রানির শিকার হচ্ছে এলাকার বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করতে আশা অসহায় মানুষ গুলো। গতকাল বৃহস্পতিবার মহেশপুর উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদে বয়স্ক ভাতার টাকা বিতরণ কালে অসুস্থ ব্যক্তিদের সন্তান বা বোন টাকা উত্তোলন করতে আসলে এ হয়রানির শিকার হয়েছেন তারা।

যেখানে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন বইতে ইস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ রয়েছে বয়স্ক ব্যক্তিরা যদি অসুস্থ থাকে তাহলে পৌর এলাকার মেয়র বা কাউন্সিলর,ইউনিয়ন এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান বা ইউপি সদস্যদের প্রত্যায়ন পত্র দেখাতে হবে। কিন্তু কয়েক জন অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের স্বজনরা মহেশপুর জনতা ব্যাংক ব্যাবস্থাপকের খামখেয়ালিপনার কারনে ইউপি চেয়ারম্যান বা ইউপি সদস্যদের প্রত্যায়ন পত্র দেখালেও তাদেরকে বয়স্ক ভাতার টাকাতো দুরের কথা দুর দুর তারিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিষদ থেকে।

পুরন্দপুর এলাকার বয়স্ক অন্ধ জহরা বেগম। তার অসুস্থতার কারনে ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে একটি প্রত্যায়ন পত্র নিয়ে বোনের টাকা উত্তোলন করতে আসেন বোন জুলেখা বেগম। তাকে টাকা না দিয়ে ১২ তারিখে টাকা দেওয়া হবে বলে দুর দুর তারিয়ে দেয় বলে জানান জুলেখা বেগম।

ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, এলাকার অনেক বয়স্ক মানুষ আছে অসুস্থার কারনে ইউনিয়ন পরিষদে টাকা নিতে আসতে পারেনি। পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের ছেলে,মেয়ে ও ভাই-বোনদেরকে প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। ব্যাংক ব্যাবস্থাপকের খামখেয়ালিপনার কারনে তাদেরকে ফিরে যেতে হয়েছে।

ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান জানান, আমার এলাকায় প্রায় ৮০০ বয়স্ক ভাতার বই ধারী মানুষ রয়েছে। এর মধ্যে অনেকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ীতে রয়েছে। যারা একেবারেই অসুস্থ আমি শুধু তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছি। কিন্তু তার পরও তাদেরকে ভাতার টাকা দেওয়া হয়নি। তিনি আরো জানান,শুধু মহেশপুর জনতা ব্যাংক ব্যাবস্থাপক শাহীনুর ইসলামের খামখেয়ালিপনার কারনে আজ হয়রানির শিকার হচ্ছে এলাকার বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করতে আশা অসহায় মানুষ গুলো।

মহেশপুর জনতা ব্যাংকের ক্যাশ কর্মকর্তা আহসান উল্লা জানান, আমরা শুধু বয়স্ক ভাতার বই ধারীদেরকে টাকা দিয়েছি। যারা অসুস্থ আছেন তাদের স্বজনদেরকে কোন টাকা দেইনি। আমরা যা করেছি আমাদের ম্যানেজার স্যারের নির্দেশে করেছি।

মহেশপুর জনতা ব্যাংক ব্যাবস্থাপক শাহীনুর ইসলাম জানান, বয়স্ক ব্যক্তিদের ভাতার টাকা ব্যাংকে এসে নেওয়ার কথা। শুধু আমি বয়স্ক মানুষের কথা চিন্তা করে আমার অফিসাদের পরিষদে গিয়ে টাকা দেওয়া কথা বলেছি। আর অসুস্থ আছেন তাদের টাকা আমরা ১২ তারিখে দেওয়া কথা বলেছি।

তারপরও চেয়ারম্যান সাহেব ও ইউপি সদস্যরা প্রত্যায়ন দিয়ে বলেছেন অসুস্থ ব্যক্তিদের টাকা আজকেই দিতে হবে। আমি তা দেয়নি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x