মহেশপুরে লাশ উত্তোলন ও ময়না তদন্ত চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

Spread the love
  • 15
    Shares

শামীম খানঃ

মহেশপুর থানা পুলিশকে না জানিয়ে গোপনে নিহত গোলাম হোসেনের (৬২) লাশ তরি ঘরি করে দাফনের ২০ দিন পর লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের নিকট। আবেদনটি করেছেন নিহত গোলাম হোসেনের ফুফাতো ভাই শওকত আলী।

শওকত আলী জানান, গোলাম হোসেনকে মেরে তার লাশ তরি ঘরি করে দাফনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনেই তিনি জেলা প্রশাসকের নিকট লাশ উত্তোলন চেয়ে আবেদনটি করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোলাম হোসেন লেবুতলা গ্রামের শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করে আসছিলো। প্রায় দিনই অসহাই গোলাম হোসেনকে তার স্ত্রী,পুত্র ও শ্যালকরা মারপিট করে আসছিলো। গত ২৯ জুন দুপুরে শ্বশুর বাড়ীতে বসবাসকারী গোলাম হোসেনকে মারপিট ও ৩০ জুন দুপুরে লেবুতলা গ্রামের রেজাউল ইসলামের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় গোলাম হোসেনের লাশ পাওয়া যায়।

নিহত গোলাম হোসেনের ফুফাতো ভাই শওকত আলী জানান, পুকুর থেকে লাশ তুলে এনে তারা থানা পুলিশ বা কোন আতœীয় স্বজনদেরকে না জানিয়ে তরি ঘরি করে আমার ভায়ের লাশ দাফন করা হয়েছে। তা ছারা আমার ভায়ের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিলো।

মহেশপুর থানার এস আই আবুজার গিফারী জানান, আমি ঘটনা স্থলে গিয়ে তার গায়ে আঘাতের চিহ্ন ও পুকুরের পানিতে লাশ পাওয়া ঘটনা জানতে পেরেছি। তবে তারা কি কারনে পুলিশকে না জানিয়ে দাফন করলো তা আমার জানা নেই।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান জানান, আমি অভিযোগটা পাওয়ার পরই থানার এস আই আবুজার গিফারীকে ঘটনা স্থলে পাঠিয়ে ছিলাম। তবে তার স্ত্রীসহ সন্তানরা কেউ কোন অভিযোগ দেননি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x