মহেশপুরে করোনাকালেও স্বাস্থ্য বিধির বালাই নেই

মহেশপুরে ১টি অবৈধ হাটের কারনে সরকারী ৩টি হাট ধ্বংশের পথে

সারাদেশ

শামীম খানঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ডাকাতিয়া গ্রামে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট,গুড়দাহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাট আজ ধ্বংশের পথে। এভাবেই একটি অবৈধ পশুহাটের কারনে মহেশপুরের দেড়কোটি টাকা মুল্যের ৩টি পশুহাট আজ একেবারেই ধ্বংশ হয়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে আনোয়ারা বেগম নামের এক নারী নিজ জমিতে সাধারণ হাট বসিয়েছেন। সপ্তাহে দু’দিন রোববার ও বৃহস্পতিবার চলে ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে আনোয়ারা বেগমের অবৈধ হাট টি। নিজে বা অন্যদের দিয়ে হাট থেকে দোকান প্রতি ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা হারে খাজনা আদায় করা হয়ে থাকে।

পশেই রয়েছে সরকারের ইজারা দেওয়া পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট টি। একই দিন দু’টি হাট হওয়ার কারনে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট টি ধ্বংশো হতে চলেছে। এ ভাবেই ডাকাতিয়া গ্রামে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে ধ্বংশো হতে পারে,গুড়দাহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাট টি। ফলে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে সরকারের কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হতে চলেছে।

পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট মালিক শওকত আরবার জানান, ডাকাতিয়া গ্রামে মধ্যে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা একেবারেই কমে গেছে। একই দিন দু’টি পাশা পাশি হাট হওয়ার কারনেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

গুড়দাহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাটের মালিকরা জানান,ডাকাতিয়া গ্রামে মধ্যে একটি অবৈধ হাট টি বন্ধ করতে না পারলে আমরাও ক্ষতি গ্রস্থ হতে চলেছি।

শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমানউল্লা হক জানান, আমি এখনো পর্যন্ত ঐহাটে জায়নি। তবে শুনেছি ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে একটি সাধারণ হাট বসানো হয়েছে। হাটটি থাকলে সরকারের কয়েটি হাট ক্ষতি গ্রস্থ হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ^তী শীল জানান, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হাট বসিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *