মহেশপুর-দত্তনগর ১৮ কিলোমিটার মহাসড়কের বেহাল দশা,ভোগান্তীতে ৫ টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ

Spread the love
  • 141
    Shares

শামীম খানঃ

সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কটির প্রায় ১৮ কিলোমিটার জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানা খন্দে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা আর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। সড়ক বিভাগ বলছে, রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, দ্রতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

ঝিনাইদহ জেলার ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুর। জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। গত কয়েক বছরে দত্তনগর বাজার থেকে জিন্নাহনগর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কের এ দশার কোন পরিবর্তন হয়নি। এতে ভোগান্তীতে পড়েছে রাস্তায় চলাচলকারী মানুষেরা। উপজেলা ও জেলা সদর যাওয়ার একমাত্র রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। তাই দ্রুত এ সড়ক সংস্কার করার দাবী চালাচলকারী মানুষ,বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও এলাকাবাসীর।

মহেশপুর-দত্তনগর ১৮ কিলোমিটার মহাসড়কের বেহাল দশা,ভোগান্তীতে ৫ টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ

 

কামরুল ইসলাম নামের একজন পথচারী জানালেন,এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। প্রতিদিন প্রায় লাখ লাল মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে অথচ কারো চোখে পড়েনা। আপনাদের মাধ্যমে আমরা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন যানাচ্ছি,আমাদের এই কষ্ট লাঘবের জন্য আল্লাহর ওয়াস্তে শান্তিতে চলাচলের জন্য অতি ধুদ্রু রাস্তাটি সংস্কার করে দেওয়ার জন্য।

বাসের চালক জনরুল ইসলাম বলেন,রাস্তাটি চলাচলের আর কোন উপায় না থাকায় আমারা এ রাস্তায় বাস চলাচল সম্পুর্ণ ভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। রাস্তাটি ভালো হলে আমরা আবার এ রাস্তায় বাস চালাবো।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, মহেশপুরের কয়েকটি রাস্তা উন্নয়নের জন্য ৪টি প্যাকেজে টেন্ডার হয়।  ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর প্যাকেজ দুটির কাজ ইতি মধ্যে শেষ হয়েছে। ওই ১৮ কিলোমিটার রাস্তার নেচার (টেন্ডারের সময় ভাঙ্গা কম ছিল, আর এখন খানাখন্দ বেশি) পরিবর্তন হওয়ার কারণে মেরামত করা যাচ্ছে না। তাই নতুন করে টেন্ডার করা হবে।

পুনঃ দরপত্রের আহবান করা হবে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন সড়ক বিভাগের এই কর্মকর্তা।

এদিকে আশার বানী শোনালেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল। তিনি বললেন রাস্তাটি রিভাইস করার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম বেশ কয়েকটা মিটিং হয়ে অনুমোদন হয়েছে। বর্তমানে এটা টেন্ডার ও অন্যান্য যা কাজ আছে তা এক সাথে শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় এ মাসের ভিতরে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং আগামী মাসেই আমরা এ রাস্তার কাজ শুরু করতে পারবো।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x