মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা আসা বন্ধ হয়নি \ মহা-বিপদে মহেশপুর উপজেলা

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা আসা বন্ধ হয়নিঃ মহা-বিপদে মহেশপুর উপজেলা

সারাদেশ

শামীম খানঃ
করোনা আক্রান্তরা প্রতিদিনই ভারত থেকে চোরাই পথে দেশে চলে আসছে। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কোন না কোন সীমান্ত দিয়ে রাতের অন্ধকারে দেশে চলে আসছে। ফলে মহা-বিপদে পড়তে হচ্ছে সীমান্ত রক্ষী বাহীনির (বিজিবি) সদস্যদের।

বিজিবি’র সদস্যরা ভারত থেকে আসা করোনা আক্রান্তদেরকে মহেশপুর থানায় মামলা দিয়ে সোপর্দ্দ করে যাচ্ছেন। পরে তাদেরকে নিয়ে বিপদে পরতে হচ্ছে থানা পুলিশের সদস্যদের। এরই মধ্যে মহামারী করোনার ঝুকিতে মহেশপুর সীমান্তের ৬টি ইউনিয়নে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর বিধি নিষেধ জারী করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহেশপুর পৌর মহিলা কলেজে ভারত ফেরত করোনা আক্রান্ত রোগীদের কোয়ারেন্টইন ১৫ দিন রাখার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সেখানেই থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ্বতী শীল। রয়েছে কঠোর নজরদারীও।

গত সাত দিনে ভাতর থেকে বাংলাদেশে আসার সময় ও বালাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় মহেশপুরের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে নারী,পুরুষ ও শিশুসহ ৪০ জনকে আটক করা হয়েছে।

উপজেলার মাঠিলা,সামন্তা,বাঘাডাঙ্গা,খোশালপুর,শ্যামকুড় ও কুশুমপুর সীমান্ত দিয়ে করোনা আক্রান্তরা প্রতিদিনই ভারত থেকে চোরাই পথে দেশে চলে আসছে।

করোনা ভাইরাসের কারনে সীমান্ত এলাকায় বিজিবিসহ প্রশাসনের কঠোর নজরদারী থাকলেও ভারত থেকে বাংলাদেশে আশা ও যাওয়া যেন বন্ধ করা হচ্ছেনা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রের কর্মকর্তা ডাঃ হাসিবুর সাত্তার জানান, এ পর্যন্ত মহেশপুর মহিলা কলেজে ভারত ফেরত শিশুসহ ২৭ জনকে করোনা পরিক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। তবে তাদের পরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। এর আগে জারা এসেছিলো করোনা আক্রান্ত হয়ে তাদেরকে জেলায় রাখা হয়েছে।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, যারা ভারত থেকে অবৈধ্য পথে আসছে আমরা তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে নিয়ে করোনা পরীক্ষার পর ১৫ দিনের জন্য পৌর মহিলা কলেজের কোয়ারেন্টইনে রাখছি। তিনি আরো জানান,ভারত ফেরতদের কারনেই আমরাসহ সীমান্ত এলাকার মানুষেরা ঝুকির মধ্যে আছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ^তী শীল জানান, ভারত ফেরত যারাই আসছে আমরা তাদেরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে নিয়ে করোনা পরীক্ষার পর পৌর মহিলা কলেজের কোয়ারেন্টইনে রাখার ব্যবস্থা করেছি। তাদেরকে খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে সকল ব্যবস্থায় উপজেলা প্রশাসন করে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *